কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ARTIFICIAL INTELLIGENCE
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ARTIFICIAL INTELLIGENCE কি?
মানুষ তাঁর আশেপাশের
পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্কে বিচার বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারে
পাশাপাশি বিভিন্ন জটিল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। একই ভাবে কোন যন্ত্র যখন
কৃত্রিম বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের মত বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে পারে এবং
বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে তখন তাকে বলা হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)কম্পিউটার বিজ্ঞানের এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তাশক্তিকে কৃত্রিম উপায়ে প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয় অর্থাৎ মেশিনগুলি মানুষের বুদ্ধি অনুকরণকে বোঝায় যেগুলি মানুষের মতো চিন্তা করতে এবং তাদের ক্রিয়াকলা বর্তমানে এর ব্যাপকতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে এটিকে কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা ।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে
দু’টি আলাদা বিভাগে ভাগ করা যায়
দুর্বল(Weak)
এবং শক্তিশালী(Strong)
দুর্বল কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তা (Weak artificial intelligence): একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা একটি
সিস্টেমে দুর্বল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহৃত হয়।
যেমনঃ ভিডিও গেইম, দাবা, ব্যক্তিগত সহায়ক যেমন- অ্যামাজনের অ্যালেক্সা(Alexa ) এবং অ্যাপলের সিরি(Siri) ইত্যাদি।
শক্তিশালী কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তা (Strong artificial intelligence): শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন সিস্টেম হলো এমন
একটি সিস্টেম যা মানুষের ন্যায় কাজগুলি পরিচালনা করে। এ সিস্টেমগুলো অধিক জটিল
সিস্টেম। সিস্টেমগুলো এমনভাবে প্রোগ্রাম করা হয় যাতে কোনও ব্যক্তির হস্তক্ষেপ
ছাড়া যেকোন সমস্যার সমাধান করতে পারে।
যেমনঃ স্ব-ড্রাইভিং
গাড়িগুলিতে বা হাসপাতালের অপারেটিং রুমগুলিতে এই ধরণের সিস্টেমগুলো ব্যবহৃত হয়।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
বাস্তবতা বিবেচনায় সমালোচকেরা দেখেন যে, অন্তত প্রতি তিরিশ বছরেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অতি গবেষক রা বুদ্ধিমান রোবট
বানানোর ক্ষেএে সাফল্য দাবি করে আসছেন ।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক বলা হয় অ্যলেন টিউরিংকে। চিন্তা করতে সক্ষম যন্ত্র তৈরির সম্ভবনা নিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর 1995 সালে তিনি একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। তার মতে,
' চিন্তা ' শব্দটির পরিব্যাওি বোঝা কঠিন। তিনি
তার গবেষণাপত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে জানিয়ে ছিলেন এমন এক মেশিনের কথা, যা দ্রুত ব্লক সাজানো,
চেকার খেলা, এমনকি গাণিতিক হিসাব পযন্ত করতে সক্ষম হবে । তখন মানুষের মধ্যে এমন ধারণা চলে এসেছিল যে, হয়তো বুদ্ধিমান যন্ত্রের আগমন আর খুব বেশি দেরি নেই। মানুষের বিষয়ের ঘোর কাটার আগেই কিছু পএিকাতে রোবটের ভবিষ্যত উত্থান নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু হয়।
শুভম পাছাল😊
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Comments
Post a Comment